দেনা এবং পারিবারিক অশান্তিতে জর্জরিত গোয়েন্দা আদিত্য একটি বড় কাজের প্রস্তাব পায়, যেখানে প্রখ্যাত অভিনেত্রী মন্দাকিনী দেবীর ওপর হওয়া প্রাণঘাতী হামলার তদন্ত করতে বলা হয়।
ছদ্মবেশে চৌধুরী বাড়িতে প্রবেশ করে আদিত্য। সেখানে বসবাসকারী সদস্যদের পারস্পরিক দ্বন্দ্ব, সম্পত্তির ভাগাভাগি নিয়ে জটিলতা এবং গোপন উদ্দেশ্য লক্ষ্য করতে শুরু করে সে।
বাড়িতে একটি সাজানো দুর্ঘটনা আতঙ্ক তৈরি করে। মন্দাকিনী দেবীর দৈনন্দিন রুটিনের সুযোগ নিয়ে কে ক্ষতি করার চেষ্টা করছে তা ধরতে আদিত্য একটি সূক্ষ্ম ফাঁদ পাতে।
খাবারে বিষ মেশানো এবং ওষুধের পরিবর্তনের সূত্র ধরে বাড়ির ভেতরের একজনের ওপর সন্দেহ ঘনীভূত হয়। আদিত্য এক সন্দেহভাজনকে চেপে ধরে যার অ্যালিবাই মিথ্যা প্রমাণিত হয়।
মন্দাকিনী দেবীকে হত্যার সরাসরি আরেকটি অপচেষ্টা হয়, যেখানে আদিত্য নিজেও বিপদে পড়ে। তদন্তে পুরনো উইল এবং পারিবারিক সম্পত্তির সঙ্গে যুক্ত একটি গভীর চক্রান্ত প্রকাশ্যে আসে।
ব্ল্যাকমেইল, ঋণ এবং বিশ্বাসঘাতকতার জাল ভেদ করে আসল অপরাধীর কাছাকাছি পৌঁছায় আদিত্য। পরিবারের বিভিন্ন সদস্যের মুখোশ একে একে খুলতে শুরু করে।
চূড়ান্ত পর্বে আদিত্য সবার সামনে আসল চক্রান্তকারীকে মুখোশধারী অবস্থা থেকে ফাঁস করে দেয় এবং সমস্ত রহস্যের কিনারা করে মন্দাকিনী দেবীকে রক্ষা করে।